১৩৬
৬৯আর যারা তাকওয়া অবলম্বন করে তাদের ওপর তাদের হিসাবের কোনো দায়ভার নেই, তবে উপদেশ দেওয়া প্রয়োজন, যাতে তারা তাকওয়া অবলম্বন করে।
৭০আর তাদের ছেড়ে দাও যারা তাদের দ্বীনকে খেলা ও কৌতুক বানিয়ে নিয়েছে এবং দুনিয়ার জীবন যাদের প্রতারিত করেছে। আর এর মাধ্যমে উপদেশ দাও, যাতে কোনো প্রাণী তার কৃতকর্মের কারণে ধ্বংসের সম্মুখীন না হয়, যেখানে আল্লাহ ছাড়া তার জন্য কোনো অভিভাবক বা সুপারিশকারী থাকবে না, আর যদি সে সব ধরনের মুক্তিপণ দিতে চায় তবুও তা তার কাছ থেকে গ্রহণ করা হবে না। এরাই তারা যারা তাদের কৃতকর্মের কারণে ধ্বংসের সম্মুখীন হয়েছে। তাদের জন্য রয়েছে ফুটন্ত পানীয় এবং যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি, তাদের কুফরির কারণে।
৭১বল, আমরা কি আল্লাহকে ছেড়ে এমন কিছুকে ডাকব যা আমাদের উপকার করতে পারে না, ক্ষতিও করতে পারে না, আর আল্লাহ আমাদের হিদায়াত দেওয়ার পর আমরা কি পিছনে ফিরে যাব সেই ব্যক্তির মতো যাকে শয়তানরা পৃথিবীতে বিভ্রান্ত করে দিয়েছে, সে হতবিহ্বল, তার কিছু সাথী তাকে হিদায়াতের দিকে ডাকে, বলে, আমাদের কাছে এসো? বল, নিশ্চয় আল্লাহর হিদায়াতই প্রকৃত হিদায়াত, আর আমাদের আদেশ দেওয়া হয়েছে বিশ্বজগতের প্রতিপালকের কাছে আত্মসমর্পণ করতে।
৭২আর নামায কায়েম কর এবং তাঁকে ভয় কর। আর তিনিই সেই সত্তা যাঁর কাছে তোমাদের একত্র করা হবে।
৭৩আর তিনিই সেই সত্তা যিনি আসমান ও জমিন যথাযথভাবে সৃষ্টি করেছেন। আর যেদিন তিনি বলবেন, হও, তখনই তা হয়ে যাবে। তাঁর বাণী সত্য। আর সিঙ্গায় ফুৎকার দেওয়ার দিন রাজত্ব তাঁরই থাকবে। তিনি অদৃশ্য ও প্রকাশ্যের পরিজ্ঞাতা। তিনি প্রজ্ঞাময়, সম্যক অবগত।
পৃষ্ঠা ১৩৬ / ৬০৪