১৭২
১৬৪আর স্মরণ কর, যখন তাদের মধ্যে একদল বলল, তোমরা কেন এমন জাতিকে উপদেশ দিচ্ছ যাদের আল্লাহ ধ্বংস করবেন অথবা কঠোর শাস্তি দেবেন? তারা বলল, তোমাদের প্রতিপালকের কাছে অজুহাত পেশ করার জন্য, আর যাতে তারা তাকওয়া অবলম্বন করে।
১৬৫অতঃপর যখন তারা যে বিষয়ে উপদেশ দেওয়া হয়েছিল তা ভুলে গেল, তখন আমি যারা মন্দকাজ থেকে নিষেধ করত তাদের রক্ষা করলাম, আর যারা জুলুম করেছিল তাদের কঠোর শাস্তি দিয়ে পাকড়াও করলাম, তাদের পাপাচারের কারণে।
১৬৬অতঃপর যখন তারা যা থেকে নিষেধ করা হয়েছিল তার বিরুদ্ধে অবাধ্যতা করল, তখন আমি তাদের বললাম, তোমরা লাঞ্ছিত বানর হয়ে যাও।
১৬৭আর স্মরণ কর, যখন তোমার প্রতিপালক ঘোষণা করলেন যে, তিনি অবশ্যই কিয়ামত পর্যন্ত তাদের ওপর এমন লোক পাঠাতে থাকবেন যারা তাদের নিকৃষ্ট শাস্তি দেবে। নিশ্চয় তোমার প্রতিপালক দ্রুত শাস্তিদাতা, আর নিশ্চয় তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
১৬৮আর আমি তাদের পৃথিবীতে বিভিন্ন জাতিতে বিভক্ত করলাম, তাদের মধ্যে কিছু সৎকর্মশীল আর কিছু তার চেয়ে নিম্নমানের। আর আমি তাদের কল্যাণ ও অকল্যাণ দিয়ে পরীক্ষা করলাম, যাতে তারা ফিরে আসে।
১৬৯অতঃপর তাদের পর এমন এক প্রজন্ম এলো যারা কিতাবের উত্তরাধিকারী হলো, তারা এই নিম্নজগতের ভোগ্যবস্তু গ্রহণ করত এবং বলত, শীঘ্রই আমাদের ক্ষমা করা হবে। আর তাদের কাছে এর অনুরূপ ভোগ্যবস্তু এলে তারা তাও গ্রহণ করত। তাদের কাছ থেকে কি কিতাবের অঙ্গীকার নেওয়া হয়নি যে, তারা আল্লাহ সম্পর্কে সত্য ছাড়া কিছু বলবে না? আর তারা এতে যা আছে তা অধ্যয়নও করেছে। আর আখিরাতের ঘরই মুত্তাকীদের জন্য উত্তম। তবুও কি তোমরা বুঝ না?
১৭০আর যারা কিতাব দৃঢ়ভাবে ধারণ করে এবং নামায কায়েম করে, নিশ্চয় আমি সংশোধনকারীদের প্রতিদান নষ্ট করি না।
পৃষ্ঠা ১৭২ / ৬০৪