১৮১
৩৪আর তাদের কী হলো যে আল্লাহ তাদের শাস্তি দেবেন না, অথচ তারা মসজিদুল হারাম থেকে বাধা দেয়, আর তারা তার তত্ত্বাবধায়কও নয়। এর তত্ত্বাবধায়ক কেবল মুত্তাকীরাই, কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানে না।
৩৫আর কাবাঘরের কাছে তাদের নামায তালি বাজানো ও শিস দেওয়া ছাড়া আর কিছু নয়। সুতরাং তোমাদের কুফরির কারণে শাস্তি আস্বাদন কর।
৩৬নিশ্চয় যারা কুফরি করেছে তারা তাদের ধনসম্পদ ব্যয় করে আল্লাহর পথ থেকে বাধা দিতে। শীঘ্রই তারা তা ব্যয় করবে, তারপর তা তাদের জন্য অনুশোচনার কারণ হবে, তারপর তারা পরাজিত হবে। আর যারা কুফরি করেছে তাদের জাহান্নামের দিকে একত্র করা হবে।
৩৭যাতে আল্লাহ নিকৃষ্টকে উত্তম থেকে পৃথক করতে পারেন এবং নিকৃষ্টের কিছু অংশ অন্য অংশের ওপর স্তূপীকৃত করতে পারেন, তারপর তা একত্র করে জাহান্নামে নিক্ষেপ করতে পারেন। তারাই ক্ষতিগ্রস্ত।
৩৮যারা কুফরি করেছে তাদের বল, তারা যদি বিরত হয়, তবে যা অতীত হয়ে গেছে তা তাদের ক্ষমা করা হবে। আর তারা যদি পুনরায় করে, তবে পূর্ববর্তীদের রীতি তো অতিবাহিত হয়েই গেছে।
৩৯আর তাদের সাথে যুদ্ধ কর যতক্ষণ না ফিতনা দূরীভূত হয় এবং দ্বীন সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর জন্য হয়ে যায়। অতঃপর তারা যদি বিরত হয়, তবে নিশ্চয় আল্লাহ তারা যা করে তা সম্যক দেখেন।
৪০আর তারা যদি মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে জেনে রাখ, নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের অভিভাবক। কতই না উত্তম অভিভাবক এবং কতই না উত্তম সাহায্যকারী!
পৃষ্ঠা ১৮১ / ৬০৪