২৮৬
৩৯এসব তোমার প্রতিপালক তোমার প্রতি যে প্রজ্ঞা অবতীর্ণ করেছেন তার অন্তর্ভুক্ত। আর আল্লাহর সাথে অন্য কোনো উপাস্য স্থির কর না, তাহলে তোমাকে নিন্দিত ও বিতাড়িত অবস্থায় জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।
৪০তোমাদের প্রতিপালক কি তোমাদেরকে পুত্রসন্তান বেছে দিয়ে নিজে ফেরেশতাদের মধ্য থেকে কন্যা গ্রহণ করেছেন? নিশ্চয় তোমরা তো এক মহাকথন বলছ।
৪১আর আমি এই কুরআনে বিভিন্নভাবে বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছি, যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে, কিন্তু এতে তাদের বিমুখতাই আরও বৃদ্ধি পায়।
৪২বল, তাদের কথামতো যদি তাঁর সাথে অন্য উপাস্য থাকত, তবে তারা অবশ্যই আরশের অধিপতির কাছে পৌঁছার পথ সন্ধান করত।
৪৩তিনি পবিত্র এবং তারা যা বলে তা থেকে বহু ঊর্ধ্বে, বহু মহান!
৪৪সাত আকাশ, পৃথিবী এবং তাদের মধ্যে যা আছে সবকিছু তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে। আর এমন কিছুই নেই, যা তাঁর প্রশংসাসহ তাসবীহ পাঠ করে না, কিন্তু তোমরা তাদের তাসবীহ বুঝতে পার না। নিশ্চয় তিনি সহনশীল, ক্ষমাশীল।
৪৫আর যখন তুমি কুরআন পাঠ কর, তখন তোমার আর যারা আখিরাতে বিশ্বাস করে না তাদের মাঝখানে আমি এক অদৃশ্য পর্দা স্থাপন করে দিই।
৪৬আর আমি তাদের অন্তরের ওপর আবরণ দিয়ে দিই যাতে তারা তা বুঝতে না পারে, আর তাদের কানে বধিরতা দিয়ে দিই। আর যখন তুমি কুরআনে তোমার প্রতিপালককে একক সত্তারূপে স্মরণ কর, তখন তারা বিতৃষ্ণাভরে পিঠ ফিরিয়ে চলে যায়।
৪৭তারা তোমার কথা যখন শোনে তখন কী উদ্দেশ্যে শোনে তা আমি ভালো জানি, আর যখন তারা গোপন পরামর্শ করে, যখন জালিমরা বলে, তোমরা তো কেবল এক জাদুগ্রস্ত ব্যক্তির অনুসরণ করছ।
৪৮লক্ষ কর, তারা তোমার জন্য কেমন উপমা দেয়, ফলে তারা পথভ্রষ্ট হয়েছে এবং কোনো পথ খুঁজে পাচ্ছে না।
৪৯আর তারা বলে, আমরা যখন হাড় ও চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাব, তখনও কি আমরা নতুন সৃষ্টিরূপে পুনরুত্থিত হব?
পৃষ্ঠা ২৮৬ / ৬০৪