২৯২
৯৭আর আল্লাহ যাকে হিদায়াত দেন, সেই হিদায়াতপ্রাপ্ত, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন, তুমি তাদের জন্য তাঁকে ছাড়া কোনো অভিভাবক পাবে না। আর আমি কিয়ামতের দিন তাদেরকে মুখের ওপর ভর দিয়ে উত্থিত করব, অন্ধ, বোবা ও বধির অবস্থায়। তাদের আবাস জাহান্নাম, যখনই তা স্তিমিত হবে আমি তাদের জন্য অগ্নিশিখা আরও বাড়িয়ে দেব।
৯৮এটাই তাদের প্রতিদান, কারণ তারা আমার আয়াতসমূহ অস্বীকার করেছিল এবং বলেছিল, আমরা যখন হাড় ও চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাব, তখনও কি আমরা নতুন সৃষ্টিরূপে পুনরুত্থিত হব?
৯৯তারা কি লক্ষ করে না যে, যে আল্লাহ আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, তিনি তাদের অনুরূপ সৃষ্টি করতে সক্ষম? আর তিনি তাদের জন্য এক নির্দিষ্ট সময় স্থির করে দিয়েছেন, যাতে কোনো সন্দেহ নেই। তবুও জালিমরা অকৃতজ্ঞতা ছাড়া কিছুই মানতে অস্বীকার করে।
১০০বল, তোমরা যদি আমার প্রতিপালকের রহমতের ভাণ্ডারের মালিক হতে, তবুও ব্যয়ের ভয়ে তা ধরে রাখতে। আর মানুষ বড়ই কৃপণ।
১০১আর নিশ্চয় আমি মূসাকে নয়টি সুস্পষ্ট নিদর্শন দিয়েছিলাম। সুতরাং বনী ইসরাঈলকে জিজ্ঞাসা কর, যখন তিনি তাদের কাছে এলেন, তখন ফিরআউন তাকে বলল, হে মূসা, আমি তো মনে করি তুমি জাদুগ্রস্ত।
১০২তিনি বললেন, তুমি তো ভালো করেই জান, আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর প্রতিপালক ছাড়া আর কেউ এই সুস্পষ্ট নিদর্শনগুলো অবতীর্ণ করেননি। আর হে ফিরআউন, আমি তো মনে করি তুমি ধ্বংসপ্রাপ্ত হতে যাচ্ছ।
১০৩তখন সে তাদেরকে ভূমি থেকে উৎখাত করার সংকল্প করল, ফলে আমি তাকে এবং তার সঙ্গীদের সকলকে ডুবিয়ে দিলাম।
১০৪আর তার পর আমি বনী ইসরাঈলকে বললাম, তোমরা এই ভূমিতে বসবাস কর, তারপর যখন আখিরাতের প্রতিশ্রুতি আসবে, তখন আমি তোমাদের সকলকে একত্র করে নিয়ে আসব।
পৃষ্ঠা ২৯২ / ৬০৪