৩৮
২৩৪আর তোমাদের মধ্যে যারা মৃত্যুবরণ করে এবং স্ত্রী রেখে যায়, তারা নিজেদের ব্যাপারে চার মাস দশ দিন অপেক্ষা করবে। অতঃপর যখন তারা তাদের নির্ধারিত সময়ে পৌঁছে যায়, তখন তারা নিজেদের সম্পর্কে প্রচলিত নিয়মে যা করে তাতে তোমাদের কোনো দোষ নেই। আর তোমরা যা করো আল্লাহ সে সম্পর্কে সম্যক অবগত।
২৩৫আর ইদ্দতকালীন নারীদের ইঙ্গিতে বিবাহের প্রস্তাব দেওয়াতে অথবা নিজেদের অন্তরে তা গোপন রাখাতে তোমাদের কোনো দোষ নেই। আল্লাহ জানেন যে, তোমরা তাদের কথা স্মরণ করবে, তবে তাদের সাথে গোপনে অঙ্গীকার কোরো না, তবে প্রচলিত নিয়মসম্মত কথা বলা ছাড়া। আর নির্ধারিত সময় শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিবাহবন্ধনের সংকল্প কোরো না। আর জেনে রাখো যে, আল্লাহ তোমাদের অন্তরে যা আছে তা জানেন, অতএব তাঁকে ভয় করো। আর জেনে রাখো যে, আল্লাহ ক্ষমাশীল, সহনশীল।
২৩৬যদি তোমরা স্ত্রীদের স্পর্শ করার আগে অথবা তাদের মোহরানা নির্ধারণ করার আগে তালাক দাও, তবে তোমাদের কোনো দোষ নেই। আর তাদের জন্য কিছু ভরণপোষণ প্রদান করো—সচ্ছল ব্যক্তি নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী, আর অভাবগ্রস্ত ব্যক্তি নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী—প্রচলিত নিয়মে এই ভরণপোষণ প্রদান করা সৎকর্মশীলদের জন্য কর্তব্য।
২৩৭আর যদি তোমরা তাদের স্পর্শ করার আগে তালাক দাও, অথচ তাদের জন্য মোহরানা নির্ধারণ করেছিলে, তবে তোমরা যা নির্ধারণ করেছিলে তার অর্ধেক (প্রদান করা কর্তব্য), তবে তারা যদি মাফ করে দেয় অথবা যার হাতে বিবাহবন্ধনের এখতিয়ার আছে সে যদি মাফ করে দেয় তা ভিন্ন কথা। আর তোমাদের মাফ করে দেওয়াই তাকওয়ার অধিক নিকটবর্তী। আর তোমরা নিজেদের মধ্যে অনুগ্রহ প্রদর্শনের বিষয়টি ভুলে যেয়ো না; নিশ্চয় তোমরা যা করো আল্লাহ তা সম্যক দেখেন।
পৃষ্ঠা ৩৮ / ৬০৪