১২৯
৯আর যদি আমি তাকে ফেরেশতা বানাতাম, তবুও আমি তাকে মানুষের রূপেই বানাতাম, আর তখনও তাদের জন্য বিষয়টি অস্পষ্ট করে দিতাম যেমন তারা এখন অস্পষ্ট করে।
১০তোমার আগেও বহু রাসূলকে নিয়ে ঠাট্টা করা হয়েছিল, কিন্তু যারা তাদের নিয়ে বিদ্রূপ করত তাদের সেই বিষয়ই তাদের ঘিরে ফেলেছিল যা নিয়ে তারা ঠাট্টা করত।
১১বল, পৃথিবীতে ভ্রমণ কর, তারপর দেখ, মিথ্যা প্রতিপন্নকারীদের পরিণাম কেমন হয়েছিল।
১২বল, আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে তা কার? বল, আল্লাহরই। তিনি নিজের উপর দয়া অবধারিত করে নিয়েছেন। তিনি অবশ্যই কিয়ামতের দিন তোমাদের একত্র করবেন, এতে কোনো সন্দেহ নেই। যারা নিজেদের ক্ষতিসাধন করেছে তারাই ঈমান আনবে না।
১৩রাত ও দিনে যা কিছু বিশ্রাম নেয় তা তাঁরই। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
১৪বল, আমি কি আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করব, যিনি আসমান ও জমিনের স্রষ্টা, আর তিনিই আহার দেন, অথচ তাঁকে আহার দেওয়া হয় না? বল, আমি আদিষ্ট হয়েছি প্রথম আত্মসমর্পণকারী হতে, আর তুমি কখনো মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হোয়ো না।
১৫বল, আমি যদি আমার প্রতিপালকের অবাধ্যতা করি, তবে আমি এক মহাদিনের শাস্তির ভয় করি।
১৬সেদিন যার থেকে শাস্তি ফিরিয়ে নেওয়া হবে, নিশ্চয় তার প্রতি তিনি করুণা করেছেন। আর এটাই সুস্পষ্ট সাফল্য।
১৭আর আল্লাহ যদি তোমাকে কোনো ক্ষতি স্পর্শ করান, তবে তিনি ছাড়া তা দূরকারী কেউ নেই। আর তিনি যদি তোমাকে কোনো কল্যাণ স্পর্শ করান, তবে তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।
১৮আর তিনিই তাঁর বান্দাদের উপর পরাক্রমশালী। তিনি প্রজ্ঞাময়, সম্যক অবগত।
পৃষ্ঠা ১২৯ / ৬০৪