১৩০
১৯বল, সাক্ষ্যদানে কোন জিনিসটি সবচেয়ে বড়? বল, আল্লাহ। তিনি আমার ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষী। আর আমার প্রতি এই কুরআন ওহী করা হয়েছে যাতে আমি এর মাধ্যমে তোমাদের এবং যাদের কাছে এটি পৌঁছাবে তাদের সতর্ক করি। তোমরা কি সত্যিই সাক্ষ্য দাও যে আল্লাহর সাথে অন্য ইলাহ আছে? বল, আমি সাক্ষ্য দিই না। বল, তিনি তো একমাত্র ইলাহ, আর তোমরা যাকে শরিক কর তা থেকে আমি নিঃসম্পর্ক।
২০যাদের আমি কিতাব দিয়েছি তারা তাকে এমনভাবে চেনে যেমন তারা তাদের সন্তানদের চেনে। যারা নিজেদের ক্ষতিসাধন করেছে তারাই ঈমান আনবে না।
২১আর কে তার চেয়ে বড় জালিম যে আল্লাহর নামে মিথ্যা রচনা করে অথবা তাঁর নিদর্শনসমূহকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে? নিশ্চয় জালিমরা সফলকাম হয় না।
২২আর সেদিন আমি তাদের সবাইকে একত্র করব, তারপর যারা শরিক করেছে তাদের বলব, তোমাদের সেই শরিকরা কোথায় যাদের তোমরা দাবি করতে?
২৩তারপর তাদের ফিতনা এই ছাড়া আর কিছু হবে না যে, তারা বলবে, আল্লাহর কসম, আমাদের প্রতিপালকের কসম, আমরা মুশরিক ছিলাম না।
২৪দেখ, তারা কীভাবে নিজেদের বিরুদ্ধেই মিথ্যা বলে, আর তারা যা রচনা করত তা তাদের থেকে হারিয়ে যায়।
২৫তাদের মধ্যে কেউ কেউ তোমার কথা শোনে, কিন্তু আমি তাদের অন্তরের ওপর আবরণ দিয়ে দিয়েছি যাতে তারা তা বুঝতে না পারে, আর তাদের কানে বধিরতা দিয়েছি। তারা প্রতিটি নিদর্শন দেখলেও তাতে বিশ্বাস করবে না। এমনকি যখন তারা তোমার কাছে এসে বিতর্ক করে, তখন যারা কুফরি করেছে তারা বলে, এ তো পূর্ববর্তীদের রূপকথা ছাড়া কিছু নয়।
২৬তারা এ থেকে অন্যদের নিষেধ করে এবং নিজেরাও এ থেকে দূরে থাকে। অথচ তারা কেবল নিজেদেরই ধ্বংস করছে, আর তারা তা উপলব্ধিও করে না।
২৭আর তুমি যদি দেখতে যখন তাদের জাহান্নামের সামনে দাঁড় করানো হবে, তখন তারা বলবে, হায়, যদি আমাদের আবার ফিরিয়ে দেওয়া হতো, তবে আমরা আমাদের প্রতিপালকের নিদর্শনসমূহকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করতাম না এবং মুমিনদের অন্তর্ভুক্ত হতাম।
পৃষ্ঠা ১৩০ / ৬০৪