২৫৩
২৯যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকর্ম করেছে, তাদের জন্য রয়েছে সুখ-সমৃদ্ধি এবং উত্তম প্রত্যাবর্তনস্থল।
৩০এভাবেই আমি তোমাকে এমন এক জাতির মধ্যে পাঠিয়েছি যাদের পূর্বে বহু জাতি অতীত হয়ে গেছে, যাতে তুমি তাদের কাছে সেই বাণী পাঠ করে শোনাও যা আমি তোমার প্রতি ওহি করেছি, অথচ তারা দয়াময়কে অস্বীকার করে। বলো, তিনিই আমার প্রতিপালক, তিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, আমি তাঁরই ওপর ভরসা করি এবং তাঁরই দিকে আমার প্রত্যাবর্তন।
৩১আর যদি এমন কোনো কুরআন হতো যা দ্বারা পর্বতসমূহ চালিত হতো, বা যা দ্বারা পৃথিবী খণ্ডবিখণ্ড হতো, বা যা দ্বারা মৃতদের সাথে কথা বলা যেত, তবুও—বরং সকল সিদ্ধান্তের ক্ষমতা আল্লাহরই। যারা ঈমান এনেছে তারা কি এখনো জানে না যে, আল্লাহ চাইলে সমস্ত মানুষকে হিদায়াত দিতে পারতেন? আর যারা কুফরি করেছে তাদের নিজেদের কর্মের কারণে বিপর্যয় তাদের ওপর আঘাত হানতেই থাকবে, অথবা তা তাদের বাসস্থানের কাছাকাছি নেমে আসবে, যতক্ষণ না আল্লাহর প্রতিশ্রুতি পূর্ণ হয়। নিশ্চয়ই আল্লাহ প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন না।
৩২তোমার পূর্বেও রাসূলদের নিয়ে বিদ্রূপ করা হয়েছিল, কিন্তু আমি কাফিরদের কিছুকাল অবকাশ দিয়েছিলাম, এরপর তাদের পাকড়াও করেছি। তখন আমার শাস্তি কেমন হয়েছিল, তা দেখো!
৩৩তবে কি যিনি প্রতিটি প্রাণীর কর্মকাণ্ডের ওপর দণ্ডায়মান, তিনি তাদের মূর্তিসদৃশ? তবুও তারা আল্লাহর জন্য শরিক স্থির করেছে। বলো, তাদের নাম বলো তো! নাকি তোমরা তাঁকে এমন কিছু জানাতে চাও যা পৃথিবীতে তিনি জানেন না? নাকি তোমরা কেবল অন্তঃসারশূন্য কথা বলছ? বরং কাফিরদের কাছে তাদের ষড়যন্ত্র চমকপ্রদ করে দেখানো হয়েছে এবং তাদের সঠিক পথ থেকে বিরত রাখা হয়েছে। আর আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তার জন্য কোনো পথপ্রদর্শক নেই।
৩৪তাদের জন্য রয়েছে পার্থিব জীবনেই শাস্তি, আর আখিরাতের শাস্তি আরও কঠোর; আল্লাহর হাত থেকে তাদের রক্ষা করার কেউ নেই।
পৃষ্ঠা ২৫৩ / ৬০৪