২৯
১৮৭রোযার রাতে তোমাদের জন্য তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস হালাল করা হয়েছে। তারা তোমাদের জন্য পোশাকস্বরূপ, আর তোমরা তাদের জন্য পোশাকস্বরূপ। আল্লাহ জানতেন যে, তোমরা নিজেদের সাথে প্রতারণা করছিলে, অতঃপর তিনি তোমাদের প্রতি ক্ষমাশীল হলেন এবং তোমাদের মাফ করে দিলেন। এখন থেকে তোমরা তাদের সাথে সহবাস করো এবং আল্লাহ তোমাদের জন্য যা নির্ধারণ করেছেন তা কামনা করো। আর তোমরা আহার ও পান করো, যতক্ষণ না ভোরের সাদা রেখা কালো রেখা থেকে স্পষ্ট হয়ে যায়, অতঃপর রাত পর্যন্ত রোযা পূর্ণ করো। আর তোমরা মসজিদে ইতিকাফরত অবস্থায় স্ত্রীদের সাথে সহবাস কোরো না। এসব আল্লাহর নির্ধারিত সীমা, অতএব এর কাছেও যেয়ো না। এভাবেই আল্লাহ মানুষের জন্য তাঁর আয়াতসমূহ স্পষ্ট করে বর্ণনা করেন, যাতে তারা তাকওয়া অবলম্বন করতে পারে।
১৮৮আর তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস কোরো না, আর মানুষের সম্পদের একাংশ জেনেশুনে পাপের মাধ্যমে গ্রাস করার জন্য তা বিচারকদের কাছে পেশ কোরো না।
১৮৯তারা তোমাকে নতুন চাঁদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। বলো, তা মানুষের ও হজের জন্য সময় নির্ধারণী। আর পুণ্য এই নয় যে, তোমরা ঘরের পিছন দিক দিয়ে প্রবেশ করবে, বরং প্রকৃত পুণ্যবান সে, যে তাকওয়া অবলম্বন করে। আর তোমরা ঘরে তার দরজা দিয়েই প্রবেশ করো, আর আল্লাহকে ভয় করো, যাতে তোমরা সফল হতে পারো।
১৯০আর যারা তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে, তোমরাও আল্লাহর পথে তাদের সাথে যুদ্ধ করো, তবে সীমালঙ্ঘন কোরো না; নিশ্চয় আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদের ভালোবাসেন না।
পৃষ্ঠা ২৯ / ৬০৪