২৯৮
৩৫আর সে নিজের প্রতি জুলুমকারী অবস্থায় তার বাগানে প্রবেশ করল, বলল, আমি মনে করি না যে, এটা কখনও ধ্বংস হবে।
৩৬আর আমি মনে করি না যে, কিয়ামত সংঘটিত হবে। আর যদি আমাকে আমার প্রতিপালকের কাছে ফিরিয়েও নেওয়া হয়, তবুও আমি অবশ্যই এর চেয়ে উত্তম প্রত্যাবর্তনস্থল পাব।
৩৭তার সঙ্গী তার সাথে কথোপকথনের সময় তাকে বলল, তুমি কি তাঁকে অস্বীকার করছ, যিনি তোমাকে মাটি থেকে, তারপর এক ফোঁটা বীর্য থেকে সৃষ্টি করেছেন, তারপর তোমাকে পূর্ণাঙ্গ মানুষরূপে গঠন করেছেন?
৩৮কিন্তু আমি বলি, তিনিই আল্লাহ, আমার প্রতিপালক, আর আমি আমার প্রতিপালকের সাথে কাউকে শরীক করি না।
৩৯আর তুমি যখন তোমার বাগানে প্রবেশ করলে, তখন কেন বললে না, মাশা-আল্লাহ, আল্লাহ ছাড়া কোনো শক্তি নেই! তুমি যদি আমাকে ধন-সম্পদে ও সন্তান-সন্ততিতে তোমার চেয়ে কম দেখ,
৪০তবুও সম্ভবত আমার প্রতিপালক আমাকে তোমার বাগানের চেয়ে উত্তম কিছু দান করবেন এবং তোমার বাগানের ওপর আকাশ থেকে বজ্রপাত পাঠাবেন, ফলে তা পিচ্ছিল অনুর্বর ভূমিতে পরিণত হবে,
৪১অথবা তার পানি ভূগর্ভে তলিয়ে যাবে, তখন তুমি কখনও তা খুঁজে বের করতে পারবে না।
৪২আর তার ফলফলাদি বিপর্যয়ে ঘেরাও হয়ে গেল, তখন সে তাতে যা ব্যয় করেছিল সেজন্য দুই হাত কচলাতে লাগল, আর বাগানটি তার মাচার ওপর ধসে পড়েছিল, আর সে বলছিল, হায়, আমি যদি আমার প্রতিপালকের সাথে কাউকে শরীক না করতাম!
৪৩আর আল্লাহকে ছেড়ে তার সাহায্যকারী এমন কোনো দল ছিল না, আর সে নিজেও প্রতিরোধ করতে সক্ষম ছিল না।
৪৪এমন পরিস্থিতিতে সমস্ত অভিভাবকত্ব একমাত্র সত্য আল্লাহরই, তিনিই প্রতিদানে উত্তম এবং পরিণামেও উত্তম।
৪৫আর তাদের জন্য দুনিয়ার জীবনের উপমা দাও, যেমন এক পানি, যা আমি আকাশ থেকে বর্ষণ করি, তারপর তার সাথে মিশে যায় পৃথিবীর গাছপালা, অতঃপর তা শুকনো খড়কুটোয় পরিণত হয়, যা বাতাসে উড়ে যায়। আর আল্লাহ সব কিছুর ওপর সর্বশক্তিমান।
পৃষ্ঠা ২৯৮ / ৬০৪