এই পৃষ্ঠা শুনুন — সূরা আল-কাহফ

৩০০

৫৪আর নিশ্চয় আমি এই কুরআনে মানুষের জন্য প্রত্যেক প্রকার উপমা বিভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছি, আর মানুষ সব কিছুর চেয়ে বেশি বিতর্কপ্রিয়।

৫৫আর মানুষের কাছে যখন হিদায়াত এসেছে, তখন তাদেরকে বিশ্বাস স্থাপন করতে এবং তাদের প্রতিপালকের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে কেবল এই বিষয়টিই বাধা দিয়েছে যে, পূর্ববর্তীদের ওপর যেমন ঘটেছিল তেমনটাই তাদের ওপরও আসুক অথবা তাদের সামনে প্রকাশ্যে শাস্তি এসে হাজির হোক।

৫৬আর আমি রাসূলদেরকে কেবল সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী হিসেবেই পাঠাই। আর যারা কুফরী করে তারা মিথ্যা দিয়ে বিতর্ক করে, যাতে তারা এর দ্বারা সত্যকে খণ্ডন করতে পারে। আর তারা আমার আয়াতসমূহ এবং যা দিয়ে তাদেরকে সতর্ক করা হয়েছিল তা নিয়ে ঠাট্টা করেছে।

৫৭আর তার চেয়ে বড় জালিম আর কে হতে পারে, যাকে তার প্রতিপালকের আয়াত দ্বারা উপদেশ দেওয়া হলো, অথচ সে তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিল এবং তার হাত যা আগে পাঠিয়েছে তা ভুলে গেল? নিশ্চয় আমি তাদের অন্তরের ওপর আবরণ দিয়ে দিয়েছি, যাতে তারা তা বুঝতে না পারে, আর তাদের কানে বধিরতা দিয়ে দিয়েছি। আর তুমি তাদেরকে হিদায়াতের দিকে আহ্বান করলেও তারা কখনও হিদায়াত পাবে না।

৫৮আর তোমার প্রতিপালক অতি ক্ষমাশীল, রহমতের অধিকারী। তিনি তাদের কৃতকর্মের জন্য তাদেরকে পাকড়াও করতে চাইলে তাদের শাস্তি ত্বরান্বিত করে দিতেন। বরং তাদের জন্য রয়েছে এক নির্দিষ্ট সময়, যা থেকে তারা কোনো আশ্রয়স্থল পাবে না।

৫৯আর এই জনপদগুলোকে আমি ধ্বংস করেছি, যখন তারা জুলুম করেছিল, আর আমি তাদের ধ্বংসের জন্য এক নির্দিষ্ট সময় স্থির করেছিলাম।

৬০আর স্মরণ কর, যখন মূসা তার সঙ্গী যুবককে বলেছিলেন, আমি থামব না, যতক্ষণ না দুই সমুদ্রের সংযোগস্থলে পৌঁছি, অথবা আমি দীর্ঘকাল ভ্রমণ চালিয়ে যাব।

৬১অতঃপর যখন তারা দুজন সেই সংযোগস্থলে পৌঁছলেন, তখন তারা তাদের মাছের কথা ভুলে গেলেন, আর সেটি সমুদ্রে সুড়ঙ্গের মতো পথ ধরে চলে গেল।

পৃষ্ঠা ৩০০ / ৬০৪