এই পৃষ্ঠা শুনুন — সূরা হা-মীম আস-সাজদাহ

৪৮১

৩৯আর তাঁর নিদর্শনসমূহের মধ্যে এটাও যে, তুমি যমীনকে নিস্তেজ দেখো, অতঃপর যখন আমি তার ওপর পানি বর্ষণ করি, তখন তা সঞ্জীবিত হয়ে ওঠে এবং বৃদ্ধি পায়। নিশ্চয় যিনি একে জীবিত করেন, তিনিই মৃতদের জীবিত করবেন। নিশ্চয় তিনি সকল কিছুর ওপর ক্ষমতাবান।

৪০নিশ্চয় যারা আমার আয়াতসমূহের ব্যাপারে বিকৃতি সৃষ্টি করে, তারা আমার কাছে গোপন থাকে না। যাকে আগুনে নিক্ষেপ করা হবে সে কি উত্তম, নাকি যে কিয়ামতের দিন নিরাপদ অবস্থায় আসবে? তোমরা যা ইচ্ছা করো, নিশ্চয় তিনি তোমরা যা করো তার সম্যক দ্রষ্টা।

৪১নিশ্চয় যারা এই উপদেশগ্রন্থকে অস্বীকার করেছে যখন তা তাদের কাছে এসেছে, নিশ্চয় এটি এক মহিমান্বিত কিতাব,

৪২যার সামনে বা পেছনে কোনো দিক থেকেই মিথ্যা প্রবেশ করতে পারে না। এটি অবতীর্ণ প্রজ্ঞাময়, প্রশংসিতের পক্ষ থেকে।

৪৩তোমাকে কেবল তা-ই বলা হচ্ছে, যা তোমার পূর্ববর্তী রাসূলগণকে বলা হয়েছিল। নিশ্চয় তোমার প্রতিপালক ক্ষমারও অধিকারী এবং যন্ত্রণাদায়ক শাস্তিরও অধিকারী।

৪৪আর যদি আমি একে অনারবি ভাষার কুরআন বানাতাম, তবে তারা বলত, এর আয়াতসমূহ কেন বিস্তারিতভাবে বিবৃত করা হলো না? কী আশ্চর্য, একদিকে অনারবি, অন্যদিকে আরব! বলো, এটি মুমিনদের জন্য হিদায়াত ও নিরাময়, আর যারা ঈমান আনে না, তাদের কানে বধিরতা রয়েছে, আর এটি তাদের জন্য অন্ধত্ব। তাদের যেন দূর থেকে ডাকা হচ্ছে।

৪৫আর নিশ্চয় আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছিলাম, অতঃপর তা নিয়ে মতভেদ সৃষ্টি হয়েছিল। আর তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে পূর্বেই এক বাণী স্থির না হলে তাদের মধ্যে ফয়সালা করে দেওয়া হতো। আর নিশ্চয় তারা এ সম্পর্কে গভীর সন্দেহে নিমজ্জিত।

৪৬যে সৎকর্ম করে, সে নিজের কল্যাণের জন্যই তা করে, আর যে মন্দ কাজ করে, তার ক্ষতিও তারই ওপর বর্তায়। আর তোমার প্রতিপালক বান্দাদের প্রতি কখনো অবিচারকারী নন।

পৃষ্ঠা ৪৮১ / ৬০৪