৪৮৭
৩২আর তাঁর নিদর্শনসমূহের মধ্যে রয়েছে সমুদ্রে চলমান পর্বতসদৃশ নৌযানসমূহ।
৩৩তিনি ইচ্ছা করলে বাতাসকে থামিয়ে দেন, তখন সেগুলো সমুদ্রের বুকে স্থির হয়ে থাকে। নিশ্চয় এতে প্রত্যেক ধৈর্যশীল, কৃতজ্ঞদের জন্য নিদর্শন রয়েছে।
৩৪অথবা তিনি তাদের কৃতকর্মের কারণে সেগুলো ধ্বংস করে দেন, আর তিনি অনেক কিছুই ক্ষমা করে দেন।
৩৫আর যারা আমার আয়াতসমূহ নিয়ে বিতর্ক করে তারা জেনে নিক যে, তাদের জন্য কোনো পলায়নস্থল নেই।
৩৬অতএব তোমাদের যা কিছু দেওয়া হয়েছে তা তো কেবল পার্থিব জীবনের ভোগসামগ্রী, আর আল্লাহর কাছে যা আছে তা উত্তম ও স্থায়ী, তাদের জন্য যারা ঈমান এনেছে এবং তাদের প্রতিপালকের ওপর ভরসা করে,
৩৭আর যারা গুরুতর পাপ ও অশ্লীল কাজ থেকে বিরত থাকে, আর যখন তারা রাগান্বিত হয় তখনও ক্ষমা করে দেয়,
৩৮আর যারা তাদের প্রতিপালকের ডাকে সাড়া দেয় এবং নামায কায়েম করে, আর যাদের কাজকর্ম পারস্পরিক পরামর্শের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, আর আমি তাদের যা দিয়েছি তা থেকে তারা ব্যয় করে,
৩৯আর যাদের ওপর অত্যাচার হলে তারা প্রতিরোধ করে।
৪০আর মন্দের প্রতিফল তার সমতুল্য মন্দ, অতঃপর যে ক্ষমা করে এবং সংশোধন করে, তার প্রতিফল আল্লাহর কাছে। নিশ্চয় তিনি যালিমদের পছন্দ করেন না।
৪১আর যে ব্যক্তি তার প্রতি অত্যাচারের পর প্রতিরোধ করে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগের পথ নেই।
৪২অভিযোগের পথ কেবল তাদেরই বিরুদ্ধে, যারা মানুষের ওপর অত্যাচার করে এবং অন্যায়ভাবে যমীনে সীমালঙ্ঘন করে। তাদের জন্যই রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
৪৩আর যে ধৈর্য ধরে এবং ক্ষমা করে, নিশ্চয় এটা দৃঢ় সংকল্পের কাজের অন্তর্ভুক্ত।
৪৪আর আল্লাহ যাকে বিভ্রান্ত করেন, তার জন্য এরপর আর কোনো অভিভাবক নেই। আর তুমি যালিমদের দেখবে, যখন তারা শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে, তখন তারা বলবে, ফিরে যাওয়ার কোনো পথ কি আছে?
পৃষ্ঠা ৪৮৭ / ৬০৪