এই পৃষ্ঠা শুনুন — সূরা মুহাম্মাদ

٥٠٩

এবং বলে যারা ঈমান এনেছে "কেন না নাযিল করা হয় একটি সূরাহ (যুদ্ধাদেশ দিয়ে)" অতঃপর যখন নাযিল করা হলো একটি সূরাহ

দ্ব্যর্থহীন এবং উল্লেখ করা ছিল তার মধ্যে যুদ্ধের (নির্দেশ) তুমি দেখলে তাদেরকে (যাদের) আছে তাদের অন্তরসমূহে রোগ

তারা তাকাচ্ছে তোমার দিকে (এমন) দৃষ্টিতে ছেয়ে গেছে যার উপর থেকে মৃত্যু সুতরাং দুর্ভোগ তাদের জন্যে

ﱞ (তাদের মুখে তো) আনুগত্য ও কথা ন্যায়সংগত / ভালো ভালো কিন্তু যখন চূড়ান্ত হলো (জিহাদের) বিষয়টি তখন যদি তারা সত্য প্রমাণ করত আল্লাহকে( দেওয়া ওয়াদা)

অবশই হতো উত্তম তাদের জন্যে ﱬ তবে কি তোমাদের হতে এ সম্ভাবনা আছে? যদি তোমরা ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হও যে তোমরা বিপর্যয় সৃষ্টি করবে

মধ্যে পৃথিবীর এবং তোমরা ছিন্ন করবে তোমাদের আত্মীয়তার বন্ধনসমূহকে ﱷ ঐসব লোক তারাই যাদেরকে অভিশাপ দিয়েছেন

আল্লাহ্‌ এরপর তাদেরকে বধির করে দিয়েছেন ও অন্ধ করে দিয়েছেন তাদের দৃষ্টি শক্তিকে ﱿ না তবে কি তারা চিন্তা গবেষণা করে কুরআন (সম্বন্ধে)

অথবা উপর অন্তরসমূহের তাদের তালা (পড়েছে) ﲇ নিশ্চয়ই যারা ফিরে যায় দিকে তাদের পিছনের

থেকে এরপরেও যা সুস্পষ্ট হয়েছে তাদের কাছে (অর্থাৎ) সৎপথ শয়তান শোভন করে দেখায় তাদের জন্যে (একাজ) মিথ্যা আশা দেয়

তাদের জন্যে ﲘ এটা এ কারণে যে তারা বলে (তাদের)-কে যারা অপছন্দ করেছে যা অবতরণ করেছেন আল্লাহ্‌

"অচিরেই আমরা তোমাদের আনুগত্য করব ক্ষেত্রে কিছু বিষয়ের" এবং আল্লাহ্‌ জানেন তাদের গোপন অভিসন্ধি (সম্পর্কে) ﲩ

অতঃপর কেমন হবে (তখন) যখন তাদের প্রান হরণ করবে ফেরেশতারা তারা মারবে তাদের মুখমন্ডলগুলোতে

ও তাদের পিঠে ﲱ এটা এ কারণে যে তারা অনুসরণ করেছিল (সেই পথের) যা অসন্তুষ্ট করেছে আল্লাহকে

ও তারা অপছন্দ করেছে তাঁর সন্তুষ্টির (পথ) ফলে তিনি নষ্ট করে দিয়েছেন তাদের কর্মসমূহকে ﲼ কি মনে করেছে

তারা আছে যাদের অন্তরসমূহে রোগ (আছে) যে কখনও না প্রকাশ করবেন আল্লাহ্‌ তাদের বিদ্বেষগুলোকে ﳈ

পৃষ্ঠা ৫০৯ / ৬০৪