এই পৃষ্ঠা শুনুন — সূরা আন-নাযিআত

৫৮৪

১৭যাও ফিরআউনের কাছে, নিশ্চয় সে সীমালঙ্ঘন করেছে।

১৮অতঃপর বল, তোমার কি ইচ্ছা আছে যে তুমি পবিত্র হও,

১৯আর আমি তোমাকে তোমার প্রতিপালকের পথে পরিচালিত করি, যাতে তুমি ভয় কর?

২০অতঃপর সে তাকে মহানিদর্শন দেখাল,

২১কিন্তু সে মিথ্যা বলল ও অবাধ্য হলো,

২২তারপর সে পিছু ফিরে দৌড়াদৌড়ি শুরু করল,

২৩অতঃপর সে সবাইকে জড়ো করল, তারপর উচ্চস্বরে ঘোষণা করল,

২৪এবং বলল, আমিই তোমাদের সর্বোচ্চ প্রতিপালক।

২৫অতঃপর আল্লাহ তাকে পাকড়াও করলেন পরকাল ও ইহকাল উভয়ের শাস্তি দিয়ে।

২৬নিশ্চয় এতে শিক্ষা রয়েছে তার জন্য, যে ভয় করে।

২৭তোমাদের সৃষ্টি করা কঠিনতর, নাকি আকাশের? তিনি তা নির্মাণ করেছেন,

২৮তিনি এর উচ্চতা উঁচু করেছেন, অতঃপর তা যথাযথভাবে সুবিন্যস্ত করেছেন,

২৯আর তিনি এর রাতকে করেছেন অন্ধকার এবং এর দিনের আলোকে প্রকাশ করেছেন,

৩০আর এরপর তিনি পৃথিবীকে বিস্তৃত করেছেন,

৩১তিনি তা থেকে বের করেছেন তার পানি ও তৃণভূমি,

৩২আর পর্বতমালাকে তিনি সুদৃঢ়ভাবে স্থাপন করেছেন,

৩৩তোমাদের ও তোমাদের গবাদি পশুর ভোগের উপকরণ হিসেবে।

৩৪অতঃপর যখন মহাপ্রলয় আসবে,

৩৫সেদিন মানুষ স্মরণ করবে সে যা করেছিল,

৩৬আর জ্বলন্ত আগুন প্রকাশ করে দেওয়া হবে যে কেউ দেখুক তার জন্য।

৩৭তখন যে সীমালঙ্ঘন করেছিল,

৩৮আর দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দিয়েছিল,

৩৯নিশ্চয় জাহান্নামই হবে তার ঠিকানা।

৪০আর যে তার প্রতিপালকের সামনে দাঁড়ানোকে ভয় করেছিল এবং নিজের প্রবৃত্তিকে প্রতিহত করেছিল,

৪১নিশ্চয় জান্নাতই হবে তার ঠিকানা।

৪২তারা তোমাকে কিয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে, এর সংঘটনকাল কখন?

৪৩এর বিবরণ জানানোর সাথে তোমার কী সম্পর্ক?

৪৪এর চূড়ান্ত জ্ঞান কেবল তোমার প্রতিপালকের কাছেই।

৪৫তুমি তো কেবল তাকেই সতর্ককারী, যে একে ভয় করে।

৪৬তারা যেদিন তা প্রত্যক্ষ করবে, মনে হবে তারা যেন কেবল এক সন্ধ্যা কিংবা এক প্রভাত অবস্থান করেছিল।

পৃষ্ঠা ৫৮৪ / ৬০৪