১২৭
১১৪মরিয়ম-তনয় ঈসা বলল, হে আল্লাহ, আমাদের প্রতিপালক, আমাদের প্রতি আসমান থেকে খাদ্যভর্তি খাঞ্চা অবতীর্ণ কর, যা আমাদের জন্য, আমাদের পূর্বজন ও পরবর্তীজনদের জন্য উৎসব হবে এবং তোমার পক্ষ থেকে এক নিদর্শন হবে। আর আমাদের জীবিকা দাও, তুমিই শ্রেষ্ঠ জীবিকাদাতা।
১১৫আল্লাহ বললেন, নিশ্চয় আমি তোমাদের প্রতি তা অবতীর্ণ করব, কিন্তু তোমাদের মধ্যে যে এরপর কুফরি করবে, তাকে আমি এমন শাস্তি দেব যা বিশ্বজগতের কাউকে দেব না।
১১৬আর যখন আল্লাহ বলবেন, হে মরিয়ম-তনয় ঈসা, তুমি কি মানুষকে বলেছিলে, আল্লাহকে ছেড়ে আমাকে ও আমার মাকে দুই ইলাহরূপে গ্রহণ কর? সে বলবে, তুমি পবিত্র, আমার জন্য এমন কথা বলা শোভা পায় না যার আমার কোনো অধিকার নেই। আমি যদি তা বলে থাকি তবে তুমি নিশ্চয় তা জান। তুমি জান আমার অন্তরে কী আছে, আর আমি জানি না তোমার অন্তরে কী আছে। নিশ্চয় তুমিই অদৃশ্য বিষয়ের পরিজ্ঞাতা।
১১৭আমি তাদের কেবল তাই বলেছি যা তুমি আমাকে বলার নির্দেশ দিয়েছিলে, যে, তোমরা আল্লাহর ইবাদত কর যিনি আমার ও তোমাদের প্রতিপালক। আর আমি যতদিন তাদের মধ্যে ছিলাম ততদিন তাদের সাক্ষী ছিলাম, অতঃপর তুমি যখন আমাকে তুলে নিলে, তখন তুমিই তাদের উপর তত্ত্বাবধায়ক ছিলে। আর তুমি সবকিছুর সাক্ষী।
১১৮তুমি যদি তাদের শাস্তি দাও, তবে তারা তো তোমারই বান্দা, আর তুমি যদি তাদের ক্ষমা কর, তবে নিশ্চয় তুমিই পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
১১৯আল্লাহ বলবেন, এটাই সেই দিন যেদিন সত্যবাদীদের সত্যবাদিতা তাদের উপকারে আসবে। তাদের জন্য রয়েছে এমন জান্নাত যার নিচ দিয়ে নদী প্রবাহিত, তারা সেখানে চিরকাল থাকবে। আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন, আর তারাও তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছে। এটাই মহাসাফল্য।
১২০আসমান ও জমিনের এবং তাতে যা কিছু আছে তার রাজত্ব আল্লাহরই, আর তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।
পৃষ্ঠা ১২৭ / ৬০৪