১৮৮
৭মুশরিকদের জন্য আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের কাছে কীভাবে কোনো চুক্তি বহাল থাকতে পারে, তবে যাদের সাথে তোমরা মসজিদুল হারামের কাছে চুক্তি করেছিলে তারা ব্যতীত? সুতরাং যতদিন তারা তোমাদের প্রতি অবিচল থাকে, ততদিন তোমরাও তাদের প্রতি অবিচল থাকো। নিশ্চয় আল্লাহ মুত্তাকীদের ভালোবাসেন।
৮অথচ কীভাবে? যদি তারা তোমাদের ওপর প্রবল হয়, তবে তারা তোমাদের ব্যাপারে কোনো আত্মীয়তা বা অঙ্গীকারের প্রতি লক্ষ্য রাখবে না। তারা মুখে তোমাদের সন্তুষ্ট করতে চায়, অথচ তাদের অন্তর তা প্রত্যাখ্যান করে, আর তাদের অধিকাংশই সীমালঙ্ঘনকারী।
৯তারা আল্লাহর আয়াতের বিনিময়ে সামান্য মূল্য গ্রহণ করেছে, ফলে তারা তাঁর পথ থেকে মানুষকে বাধা দিয়েছে। নিশ্চয় তারা যা করত তা কতই না নিকৃষ্ট।
১০তারা কোনো মুমিনের ব্যাপারে আত্মীয়তা বা অঙ্গীকারের প্রতি লক্ষ্য রাখে না। আর তারাই সীমালঙ্ঘনকারী।
১১তবে যদি তারা তওবা করে, নামায কায়েম করে এবং যাকাত প্রদান করে, তাহলে তারা দ্বীনের ক্ষেত্রে তোমাদের ভাই। আর আমি জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য আয়াতসমূহ বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করি।
১২আর যদি তারা চুক্তির পর তাদের শপথ ভঙ্গ করে এবং তোমাদের দ্বীনের সমালোচনা করে, তবে কুফরের নেতাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করো; নিশ্চয় তাদের শপথের কোনো মূল্য নেই, যাতে তারা বিরত হয়।
১৩তোমরা কি এমন এক সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে না, যারা তাদের শপথ ভঙ্গ করেছে এবং রাসূলকে বহিষ্কার করার সংকল্প করেছিল, অথচ তারাই প্রথমে তোমাদের বিরুদ্ধে সূচনা করেছিল? তোমরা কি তাদের ভয় করো? অথচ আল্লাহই অধিক হকদার যে, তোমরা তাঁকে ভয় করবে, যদি তোমরা মুমিন হও।
পৃষ্ঠা ১৮৮ / ৬০৪