২১৩
৩৪বলো, তোমাদের শরিকদের মধ্যে কেউ কি আছে যে সৃষ্টি শুরু করে, তারপর তা পুনরায় সৃষ্টি করে? বলো, আল্লাহই সৃষ্টি শুরু করেন, তারপর তিনিই তা পুনরায় সৃষ্টি করবেন। তবে তোমরা কোথায় বিভ্রান্ত হচ্ছ?
৩৫বলো, তোমাদের শরিকদের মধ্যে কেউ কি আছে যে সত্যের পথ দেখায়? বলো, আল্লাহই সত্যের পথ দেখান। যিনি সত্যের পথ দেখান তিনিই কি অনুসরণের বেশি যোগ্য, নাকি যে নিজেই পথ পায় না যতক্ষণ না তাকে পথ দেখানো হয়? তাহলে তোমাদের কী হলো, তোমরা কেমন বিচার করছ?
৩৬তাদের অধিকাংশই কেবল অনুমানের পিছনে চলে। নিশ্চয় অনুমান সত্যের ব্যাপারে কোনো কাজে আসে না। নিশ্চয় আল্লাহ তারা যা করে তা ভালোভাবে জানেন।
৩৭এই কুরআন এমন কিছু নয় যে আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ তা রচনা করতে পারে। বরং এটি তার পূর্ববর্তী কিতাবের সত্যায়ন এবং কিতাবের বিশদ বিবরণ - এতে কোনো সন্দেহ নেই, এটি বিশ্বজগতের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে।
৩৮নাকি তারা বলে, সে নিজেই এটা রচনা করেছে? বলো, তাহলে তোমরা এর মতো একটি সূরা নিয়ে এসো এবং আল্লাহ ছাড়া তোমরা যাকে পার ডেকে নাও, যদি তোমরা সত্যবাদী হও।
৩৯বরং তারা এমন বিষয়কে মিথ্যা বলেছে যার জ্ঞান তারা আয়ত্ত করতে পারেনি, আর যার পরিণতিও তাদের কাছে এখনো আসেনি। এভাবেই তাদের পূর্ববর্তীরাও মিথ্যা বলেছিল। তাই দেখো, অন্যায়কারীদের পরিণাম কেমন হয়েছিল।
৪০তাদের মধ্যে কেউ কেউ এতে ঈমান আনে, আর কেউ কেউ ঈমান আনে না। আর তোমার প্রতিপালক বিপর্যয়কারীদের সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি জানেন।
৪১আর যদি তারা তোমাকে মিথ্যাবাদী বলে, তবে বলো, আমার কাজ আমার জন্য এবং তোমাদের কাজ তোমাদের জন্য। আমি যা করি তার সাথে তোমাদের কোনো সম্পর্ক নেই, আর তোমরা যা করো তার সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।
৪২তাদের মধ্যে কেউ কেউ তোমার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনে। কিন্তু তুমি কি বধিরদের শোনাতে পারবে, যদিও তারা বুঝতেও না পারে?
পৃষ্ঠা ২১৩ / ৬০৪