২১৪
৪৩আর তাদের মধ্যে কেউ কেউ তোমার দিকে তাকায়। কিন্তু তুমি কি অন্ধদের পথ দেখাতে পারবে, যদিও তারা দেখতেও না পায়?
৪৪নিশ্চয় আল্লাহ মানুষের প্রতি বিন্দুমাত্র অন্যায় করেন না, বরং মানুষই নিজেদের প্রতি অন্যায় করে।
৪৫আর যেদিন তিনি তাদের একত্র করবেন, সেদিন মনে হবে যেন তারা দিনের এক মুহূর্তের বেশি অবস্থান করেনি, তারা একে অপরকে চিনতে পারবে। যারা আল্লাহর সাক্ষাতকে মিথ্যা বলেছিল তারা প্রকৃতপক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তারা হিদায়াতপ্রাপ্ত ছিল না।
৪৬আমি তাদের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি তার কিছু যদি তোমাকে দেখিয়ে দিই অথবা তার আগেই তোমাকে মৃত্যু দিই, তবু তাদের ফিরে আসতে হবে আমারই কাছে। তারপর তারা যা করে সে সম্পর্কে আল্লাহ সাক্ষী।
৪৭প্রতিটি জাতির জন্য একজন রাসূল রয়েছেন। যখন তাদের রাসূল আসেন, তখন তাদের মধ্যে ন্যায়সঙ্গতভাবে মীমাংসা করা হয়, আর তাদের প্রতি কোনো অন্যায় করা হয় না।
৪৮আর তারা বলে, এই প্রতিশ্রুতি কখন পূর্ণ হবে, যদি তোমরা সত্যবাদী হও?
৪৯বলো, আল্লাহ যা চান তা ছাড়া নিজের ক্ষতি বা উপকারের কোনো ক্ষমতা আমার নেই। প্রতিটি জাতির জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা রয়েছে। যখন তাদের সেই সময় এসে যায়, তখন তারা এক মুহূর্তও পিছিয়ে যেতে পারে না, আর এগিয়েও যেতে পারে না।
৫০বলো, তোমরা কি ভেবে দেখেছ, যদি তাঁর শাস্তি রাতে বা দিনে তোমাদের কাছে এসে যায়, তবে অপরাধীরা তার জন্য কেন তাড়াহুড়া করে?
৫১তবে কি তা ঘটে যাওয়ার পরই তোমরা এতে ঈমান আনবে? এখন? অথচ তোমরাই তো এর জন্য তাড়াহুড়া করছিলে!
৫২তারপর যারা অন্যায় করেছিল তাদের বলা হবে, চিরস্থায়ী শাস্তি আস্বাদন করো। তোমরা যা অর্জন করতে তার প্রতিদানই তো তোমাদের দেওয়া হচ্ছে।
৫৩আর তারা তোমার কাছে জানতে চায়, এটা কি সত্য? বলো, হ্যাঁ, আমার প্রতিপালকের কসম, এটা অবশ্যই সত্য, আর তোমরা তা ব্যর্থ করে দিতে পারবে না।
পৃষ্ঠা ২১৪ / ৬০৪