٣٦
না তোমাদেরকে ধরবেন আল্লাহ অর্থহীন (শপথের) জন্য মধ্যে তোমাদের শপথগুলোর কিন্তু তোমাদেরকে তিনি ধরবেন এ কারণে যা (অর্জন করেছে)
তোমাদের অন্তরগুলো এবং আল্লাহ বড় ক্ষমাশীল বড় সহনশীল ﱐ (তাদের) জন্য যারা (সম্পর্ক না রাখার)শপথ করে হতে তাদের স্ত্রীদের অপেক্ষা করবে
চার মাস অতঃপর যদি তারা ফিরে আসে নিশ্চয়ই তবে আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু ﱟ এবং যদি তারা সংকল্প করে
তালাকের তবে নিশ্চয়ই আল্লাহ সবকিছু শুনেন সবকিছু জানেন ﱧ এবং তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীরা অপেক্ষা করবে তাদের নিজেদের জন্যে
তিন রজঃস্রাবকাল (পর্যন্ত) এবং না বৈধ হবে তাদের জন্যে যে তারা গোপন করবে যা সৃষ্টি করেছেন আল্লাহ মধ্যে তাদের গর্ভাশয়ে
যদি থাকে তারা ঈমান এনে আল্লাহর উপর ও দিনে আখেরাতের (উপর) এবং তাদের স্বামীরা বেশি অধিকারী তাদেরকে ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে ক্ষেত্রে
এই যদি তারা চায় আপোষ নিষ্পত্তি (করতে) এবং তাদের (অর্থাৎ স্ত্রীদের অধিকার আছে) যেমন তার (অর্থাৎ স্বামীর) তাদের উপর (অধিকার আছে) ন্যায়সংগতভাবে
এবং পুরুষদের জন্যে(আছে) তাদের উপর একটি মর্যাদা আছে এবং আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী মহাবিজ্ঞ ﲕ তালাক দুইবার
অতঃপর রেখে দেওয়া ন্যায়সংগত ভাবে অথবা মুক্ত করে দেয়া সদয়ভাবে (উত্তম) এবং না বৈধ হবে তোমাদের জন্যে যে তোমরা গ্রহণ করবে
তা থেকে যা তোমরা দিয়েছ তাদেরকে কোনো কিছুই এছাড়া যদি দু’জনে ভয় করে না যে দু’জনে রক্ষা করতে পারবে সীমারেখাগুলো আল্লাহর
যদি তাই তোমরা ভয় করো যে না দুজনে রক্ষা করতে পারবে সীমারেখা গুলোকে আল্লাহর নেই তবে কোনো পাপ তাদের দুজনের উপর এরমধ্যে যা সে নিষ্কৃতি চাইলে (স্ত্রী বিচ্ছেদ ঘটায়)
তার বিনিময়ে এটা সীমারেখা আল্লাহর অতএব না তা তোমরা লংঘন করো এবং যে লংঘন করবে সীমারেখাগুলোকে আল্লাহর ঐসব লোক তাহলে
তারাই অত্যাচারী (হবে) ﳉ অতঃপর যদি তাকে সে তালাক দেয় না তবে (বৈধ) হবে তার জন্য থেকে পরে (তালাকের) যতক্ষণ না সে বিয়ে করবে (অন্য) স্বামীকে
সে ছাড়া অতঃপর যদি সে তাকে তালাক দেয় নেই তবে পাপ তাদের দুজনের উপর যে পরস্পরে ফিরে আসবে যদি দুজনেই মনে করে যে
তারা দুজনে রক্ষা করতে পারবে সীমারেখা আল্লাহর এবং এটা সীমারেখা আল্লাহর তা স্পষ্ট বর্ণনা করেন তিনি সম্প্রদায়ের জন্যে (যারা) জানে ﳪ
পৃষ্ঠা ৩৬ / ৬০৪