এই পৃষ্ঠা শুনুন — সূরা আয-যুমার

৪৬০

১১বলো, নিশ্চয় আমাকে আদেশ দেওয়া হয়েছে যে, আমি যেন একনিষ্ঠভাবে দ্বীনকে আল্লাহর জন্য নির্দিষ্ট করে তাঁর ইবাদত করি,

১২আর আমাকে আদেশ দেওয়া হয়েছে যেন আমি আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে প্রথম হই।

১৩বলো, নিশ্চয় আমি যদি আমার প্রতিপালকের অবাধ্য হই, তাহলে এক ভয়ংকর দিনের শাস্তির আশঙ্কা করি।

১৪বলো, আমি একনিষ্ঠভাবে আমার দ্বীনকে তাঁরই জন্য নির্দিষ্ট করে আল্লাহরই ইবাদত করি।

১৫অতঃপর তোমরা তাঁকে ছাড়া যার ইচ্ছা তার ইবাদত করো। বলো, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত তারাই, যারা কিয়ামতের দিন নিজেদের এবং নিজেদের পরিবারবর্গকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। সাবধান, এটাই তো সুস্পষ্ট ক্ষতি।

১৬তাদের ওপরে থাকবে আগুনের স্তর আর নিচেও থাকবে আগুনের স্তর। এভাবেই আল্লাহ তাঁর বান্দাদের ভীতি প্রদর্শন করেন। হে আমার বান্দাগণ, অতএব আমাকে ভয় করো।

১৭আর যারা তাগুতের ইবাদত থেকে বিরত থেকেছে এবং আল্লাহর অভিমুখী হয়েছে, তাদের জন্য রয়েছে সুসংবাদ। অতএব সুসংবাদ দাও আমার বান্দাদের,

১৮যারা কথা শুনে তার মধ্যে যা সর্বোত্তম তার অনুসরণ করে। তারাই তারা, যাদের আল্লাহ পথ দেখিয়েছেন, আর তারাই বিবেকবান।

১৯যার ওপর শাস্তির বাণী অবধারিত হয়ে গেছে, তুমি কি তাকে বাঁচাতে পারবে, যে আগুনের মধ্যে আছে?

২০কিন্তু যারা তাদের প্রতিপালককে ভয় করেছে, তাদের জন্য রয়েছে সুউচ্চ কক্ষ, যার ওপরে আরও কক্ষ নির্মিত, যার নিচ দিয়ে নহরসমূহ প্রবাহিত। এটা আল্লাহর প্রতিশ্রুতি, আল্লাহ তাঁর প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন না।

২১তুমি কি দেখো না যে, আল্লাহ আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন, অতঃপর তা যমীনের মধ্যে ঝর্ণারূপে প্রবাহিত করেন, এরপর তা দিয়ে বিভিন্ন রঙের শস্য উৎপাদন করেন, অতঃপর তা শুকিয়ে যায়, ফলে তুমি তা হলুদ বর্ণের দেখতে পাও, তারপর তিনি তা খড়কুটোয় পরিণত করে দেন। নিশ্চয় এতে বিবেকবানদের জন্য উপদেশ রয়েছে।

পৃষ্ঠা ৪৬০ / ৬০৪